আত্মহত্যার নেপথ্যে
সমীরে মন ভয়ঙ্কর খারাপ কারণ ও যাকে গভীরভাবে ভালবাসে সেই রিমি আজ আত্মহত্যা করেছে। রিমি ওদের বাড়ির একতলায় ভাড়া থাকতো। ডেড বডি বাড়ি থেকে বার করে রাস্তায় রাখা হয়েছে। এবারে পুলিশ পোস্টমর্টেমের জন্য নিয়ে যাবে। রিমি বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করলো কেন! প্রাথমিক ইনভেস্টিগেশনের পর পুলিশের ধারণা রিমি অন্তত চার মাসের প্রেগন্যান্ট ছিল। অবিবাহিতা মেয়ে হিসাবে লজ্জার হাত থেকে বাঁচতে আত্মহত্যা করেছে।
রিমির বাবা-মার হঠাৎ একটি দুর্ঘটনায় একসঙ্গে মৃত্যুর পর আর্থিক টানাটানির মধ্যে পড়ে সমীরের কাছে আসে। সমীর ওর বাবাকে বলে কর্পোরেশনে একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দেয় কারণ সমীরের বাবা কর্পোরেশনের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। রিমির আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটে। চাকরি পাওয়ার পর প্রথমদিকে যোগাযোগ রাখলেও পরের দিকে কেন জানিনা ওকে অ্যাভয়েড করতে শুরু করে দেয়! অথচ, রিমি ছাড়া সমীর তো কল্পনাই করতে পারে না।
সমীর একটা কাগজে লিখল – “আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়”। কাগজটা পকেটে পুরে তিনতলার ছাদ থেকে নিচে লাফ দিল। সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু। আরেকটা আত্মহত্যা। সমীরের বন্ধুদের ধারণা রিমির জন্যই আত্মহত্যা সমীর আত্মহত্যা করেছে। আসল কারণ কিন্তু অন্য, সেটা ও ছাড়া আর কেউ জানে না। সমীর দিন কয়েক আগে নিজের বাবাকে রিমির সঙ্গে একতলায় রিমির শোবার ঘরে আপত্তিজনক অবস্থায় দেখেছিল। সমীরের বাবা রিমিকে চাকরি দিয়েছিলেন এই জন্যই। রিমি ওর রক্ষিত হয়ে ছিল। এটাই সমীরের আত্মহত্যার কারণ।
No comments:
Post a Comment