বৌ
- বুঝেছো, এতগুলো ভাত খেতে পারব না। আর একটু কমাও।
- আর কমাতে হবে না। ঠিক পারবে।
- না না, এতগুলো খেতে পারবো না।
- কালকে তো বেশ খেয়ে নিয়েছিলে। আজকে পারবো না
পারবো না করছো কেন?
- কালকের চাইতেও তুমি বেশি দিয়েছো।
- আরে না বেশি দিইনি। ছোটো থালা বলে ওরকম মনে হচ্ছে।
খাওয়া শুরু করো দেখবে খাওয়া হয়ে গেছে।
- আরে পারব না বলছি তো। আর একটু কমাও।
- কমাতে হবে না। বলছি তো, তুমি পারবে। খাওয়া শুরু করো তো।
----
- দেখো অনেক খেয়েছি আর পারছি না। পেট একদম
ডাম্বুস হয়ে গেছে।
-আর তো ওটুকু আছে। ওটুকুও খেয়ে নাও।
-ওহ, আর পারছি না।
-ভাত ফেলবে না বলে দিচ্ছি! দাও, মুখে দাও! এই তো পারছো। দেখলে দিব্যি কেমন খেয়ে নিলে আর পারবোনা
পারবোনা করছিলে।
-পেটের মধ্যে কেমন যেন করছে।
-কিচ্ছু করছে না ওটা তোমার মনের বাতিক। যাও একটু বিশ্রাম করো। দেখবে সব ঠিক
হয়ে গেছে। আমি জানতাম তুমি পারবে। শুধু শুধু
তালবাহানা করছিলে। তোমাদের আমি চিনিনা না। তোমরা বাপ ব্যাটা সব এক। না বললে কিছু করবে না। যেই বললাম আমি সুড়সুড় করে
খেয়ে নিলে। ওকি কী হল তোমার? অমন করছো কেন?
-শরীরটা কেমন যেন করছে। গা গুলিয়ে উঠছে। ওয়াক... ।
-ওকি বমি হবে নাকি।
-কী জানি? শরীরের মধ্যে কেমন যেন করছে।
-শরীরের মধ্যে কেমন করছে সেটাও বুঝতে পারছ না। তোমার যে কী দশা হয়েছে। অতগুলো
যদি খেতেই না পারবে তাহলে খেলে কেন?
-তুমিই তো বললে।
-আমি বললেই তোমাকে খেতে হবে? তুমি নিজে বোঝ না কতটুকু
খেলে তোমার পেটে সইবে? সেটাও আমাকে বলে দিতে হবে? বোধটোধ কি একেবারে গেছে? তোমাদের
জন্য যত করছি ততো তোমরা অকর্মণ্য হয়ে উঠছো।
নাও এই হজমিটা খেয়ে নাও। আর কথায় কথায় বৌকে দোষ দেওয়ার স্বভাবটা একটু কমাও।
আমার মত বৌ পেয়েছো বলে বেঁচে গেলে নাহলে কী যে দশা হত তোমার আমি কল্পনাও করতে পারছি
না।
No comments:
Post a Comment