লজ্জা
সাজানো
ঘরগুলো ভাঙছে
ছেলেবেলার
খেলাঘরের মতো ।
আমি
দেখতে পাচ্ছি স্পষ্ট
মায়ের
কোলে মাথা রেখে
জাগ্ৰত
শিশু পয়সা চাইছে দুটো !
হামাগুড়ি
দিয়ে সূর্য ডুবছে আর
হাঁটতে
শিখছে চাঁদ !
ঘর ছেড়ে
বেরিয়ে-পড়া বৃদ্ধার খালি পায়ে
ছাতিফাটার
মাঠ কাঁদছে এখনো !
পিছু-ডাক
নেই আগের মতো;
নেই
নিরাপদে বেঁচে থাকা--
সন্তানের
মুখ চেয়ে ।
লজ্জা
করছে আজ আলোয় দাঁড়াতে,
লজ্জা
করছে সীমাহীন স্রোতে হারাতে ।
বরং
একটু লজ্জা পাও তুমি,
মুখ
ঢাকো মেঘের আড়ালে ।
ডাস্টবিনে
কাগজ কুড়িয়ে চিঠি লেখো প্রেমিককে;
সে আসুক
ধীরোদাত্ত নায়কের মতো ।
মন্ত্রী
হোক সে,নেতা হোক বড় !
আমি
শিক্ষক হই,ভয়ে জড়সড় !
বৃদ্ধার
মন্দির ভেঙে
তৈরি
হচ্ছে পাড়ার ক্লাব;
আমি
দেখছি স্পষ্ট ।
ইঁট-পাথরের
পুজোয়--
নিমন্ত্রিত
নেতার পা-ধোয়া জল খাচ্ছে নষ্ট যুবক ।
এ-দিন
দেখার দায় আমাদের;
শুধু
আমাদের ব্যর্থতা
স্বীকার
করিনি লজ্জায় ।
দু-মুঠো
লজ্জার ছাই মাখছি এখন
আগুন
সরিয়ে রেখে ।
No comments:
Post a Comment