ইতি ইয়োকাস্তে
বুঝলাম তোমার ট্রাজেডি দৈববাণী ঘটিয়েছে ইয়োকাস্তে;
কিন্তু,
এতো ঘোর কলিকাল দৈব যে এখন দুর্দৈব ।
তবে কেন ? লালসার শ্যেনদৃষ্টি থেকে নিষ্কৃতি নেই,
চার থেকে চল্লিশ কিংবা আট থেকে আশির !
মৃত্যুর পর, উঁচু বেদীতে মাল্যদান,
মোমবাতি মিছিল, মাথা নিচু করে নীরবতা, আর !
মিনিট খানের ভাষণ ; ব্যস্ এটুকু ই?
নিচু মাথা কি উঁচু হবেনা ? চোখ কি ঝলসে উঠবে না ?
নাকি, সেই সোনার কাঁটায় সমাজের চোখও আজ অন্ধ !
অয়দিপাউস এর তবু তিন-ই ছিল: লজ্জা-ঘৃণা-ভয় ।
তাই, সে নিজেকেই করেছে অন্ধ ।
কিন্তু এখন ,যৌবনোদ্দীপ্ত দ্বিপদের তিন-ই লুপ্তপ্রায় ।
তাই আজ প্রয়োজন, মহাশ্বেতার সেই কৃষ্ণা 'দ্রৌপদী'র;
যাদের 'বানিয়ে আনা'র পরেও দেখে ভয় পাবে সমাজ।
মর্দিত স্তনের ধাক্কার সামনে দাঁড়াতেও ভয় পাবে,
সেনানায়কের মত এ সমাজের কু-পুরুষেরা।
হবে সন্ত্রস্ত, জুবুথুবু, জাড্যতা করবে গ্রাস, পাবে ভীষণ ভয় ঘটবে ইতি।।
প্রতিশ্রুতির চিহ্ন এ কবিতার ছত্রে। ভালো লাগল ।
ReplyDelete