রবির আলো
বৈশাখের শেষ বারান্দায় রোদ ঝরানো রবির
হেঁটে চলার সুদীর্ঘ উচ্চস্বরের দিনে
কখনো ঢেকে দেয় ছেঁড়া মেঘ।
দংশানো জীবন পথের নীল বুকে মাথা রেখেই সৃষ্টিরা হেসে ওঠে অপাপবিদ্ধা কন্যার স্মিত মুখলালিমায়।
বেদনার ঝংকারে
ডুকরে ওঠে আসরের সেতারও কখনো,
আলোয় ধাঁধিয়ে দেওয়া সন্ধ্যা মজলিশে কবি
বুকে আগুন মাখা তখন,
তবু কথা রাখেন স্থিরতাপস—
গাইতে না চাইলেও দরাজ গলায়
‘আমায় গাহিতে বোলো না’,
স্তব্ধ সৌন্দর্যে মৃত্যু অভূতপূর্ব ‘শ্যামসমান’ রচিত হল যেন!
যে প্রবল ক্ষুধা সুন্দরের তরে রচিত হয়,
তার মার্গদর্শনে প্রবাসের পাতায় পাতায় আল্পনা এঁকে দেয় যে চরণচিহ্ন,
তাকে অনুসরণ করি, ভীরু চাতকের মতো।
আকুন্ঠ পিপাসায় জৈষ্ঠের কাঠফাটা দুপুরের মতো
যুবারবির আহা নীরব সে শোক!
বিষাদের সুতিকাগারে জলাঞ্জলি দিয়ে গেছে প্রিয়তমদের।
এ আগুন ঝরানো পৃথিবীর দ্বিধাময় বুকে
তাতে ফলিয়ে গেলে অনন্ত প্রেম,
অনর্গল সুন্দর,অযাচিত আপনত্ব ভালোবাসার আলোকপথে।
No comments:
Post a Comment